চাঁচলে কংগ্রেসে বিদ্রোহ চরমে, শোকজের পাল্টা ইস্তফা, নির্দল হয়ে লড়াইয়ের পথে বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেসের একাংশ
চাঁচল বিধানসভায় প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহ অব্যাহত। বিক্ষোভ ধর্নার মাঝেই এবার জেলা নেতৃত্বের শোকজ।পাল্টা দলীয় পদ থেকে ইস্তফা জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক আঞ্জারুল হক জনির। জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে ইস্তফা দিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে চাঁচলের তরলতলা মোড়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ঘোষণা করেন জনি। তার অভিযোগ প্রার্থী অসন্তোষ নিয়ে দলের একটা বড় অংশ দুইদিন ধরে প্রতিবাদ,বিক্ষোভ ধর্না করলেও জেলা নেতৃত্ব দেখা করেনি। উল্টে জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরী তাকে ফোন করে দোষারোপ করছে, হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই তিনি ইস্তফা দিলেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীদের সঙ্গে একবারের জন্য দেখাও করলেন না জেলা নেতৃত্ব।সূত্রের খবর চাঁচল বিধানসভা থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে অঞ্জারুল হক জনি এবং তার শিবির।চাঁচল বিধানসভায় প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহ অব্যাহত। বিক্ষোভ ধর্নার মাঝেই এবার জেলা নেতৃত্বের শোকজের পাল্টা দলীয় পদ থেকে ইস্তফা জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক আঞ্জারুল হক জনির। জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে ইস্তফা দিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে চাঁচলের তরলতলা মোড়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ঘোষণা করেন জনি। তার অভিযোগ প্রার্থী অসন্তোষ নিয়ে দলের একটা বড় অংশ দুইদিন ধরে প্রতিবাদ,বিক্ষোভ ধর্না করলেও জেলা নেতৃত্ব দেখা করেনি। উল্টে জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরী তাকে ফোন করে দোষারোপ করছে, হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই তিনি ইস্তফা দিলেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীদের সঙ্গে একবারের জন্য দেখাও করলেন না জেলা নেতৃত্ব।সূত্রের খবর চাঁচল বিধানসভা থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে অঞ্জারুল হোক জনি এবং তার শিবির।





