ভোট রাজনীতিতে তীব্র বার্তা,“দেশের হিতে একসঙ্গে লড়াই”, পাল্টা অভিযোগে সরব কংগ্রেস
বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই দেশব্যাপী ঐক্যের বার্তা দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গে। তিনি বলেন, রাজ্যে রাজ্যে দলগুলি আলাদা লড়াই করলেও দেশের স্বার্থে বিরোধীরা একসঙ্গে লড়াই করে। তাঁর কথায়, “যদি কোনও রাজ্যে সরকার সঠিকভাবে না চলে, মানুষ পরিবর্তন চাইবেই। যারা দেশের হিতে কাজ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সবাই একজোট হই।”খাড়গে অভিযোগ করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের আড়ালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, ক্ষমতায় টিকে থাকতে বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনও রায়ের উল্লেখ করেননি, তবুও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এদিকে, আসামে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে খাড়গে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। “ভয় দেখিয়ে আমাকে চুপ করানো যাবে না। সময় এলে আমি যথাযথ জবাব দেব,” বলেন তিনি।একইসঙ্গে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি দুই দলকেই একসঙ্গে নিশানা করে দাবি করেন, “ভোটারদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। দুই দল মিলে গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে।” তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা হয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে।অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বাংলার শিল্পোন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেন। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ বড় শিল্প কংগ্রেস আমলেই গড়ে উঠেছে, বিশেষ করে জওয়াহারলাল নপহেরুর সময়ে।” এই মন্তব্যে ইতিহাস বনাম বর্তমান উন্নয়ন নিয়ে নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত মিলছে।এছাড়াও, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রমেশ। তিনি বলেন, কংগ্রেস সভাপতির দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে কটাক্ষ করা অনুচিত। একইসঙ্গে রাহুল গান্ধীকে নিয়ে করা মন্তব্যেরও জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই রাজনৈতিক ময়দানে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, ঐক্যের ডাক এবং আইনি লড়াই।সব মিলিয়ে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।





