করণদিঘীতে আস্থার বাজি, গৌতম পাল মাঠে নামতেইপ্রচারে গতি,বাড়ল জোর
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ তুঙ্গে। আর তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভরসা আবারও পড়ল করণদিঘীর প্রার্থী গৌতম পালের উপরেই। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই করণদিঘী বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়ে গিয়েছে জোরকদমে প্রচার। যা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুও বটে।প্রার্থী ঘোষণার পরদিনই মাঠে নেমে পড়েন গৌতম পাল। করণদিঘীর বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে জনসংযোগে অংশ নিয়ে তিনি সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। স্থানীয় বাসিন্দা, দোকানদার ও সাধারণ ভোটারদের কাছে পৌঁছে তিনি গত কয়েক বছরে তাঁর উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন। চান সমর্থন ও।প্রচারের প্রথম দিনেই শক্তি প্রদর্শন করে তৃণমূল শিবির। করণদিঘী থেকে ডালখোলা,দোমোহনা, রসাখোয়া, বোতলবাড়ি ও টুঙ্গিদিঘী পর্যন্ত বিস্তৃত একটি মিছিল সংগঠিত হয়। কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে মিছিল ছিল নজরকাড়া।এই বর্ণাঢ্য মিছিলের শোভা স্থানীয় সংগঠনের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এক সাক্ষাৎকারে গৌতম পাল বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পুনরায় আস্থা তাঁর কাছে যেমন গর্বের, তেমনই বড় দায়িত্বও। তিনি জানান, গত কয়েক বছরে করণদিঘী বিধানসভা এলাকায় একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে এবং সেই কাজের নিরিখেই তিনি মানুষের দরবারে পৌঁচেছেন। তাঁর কথায়, “মানুষই আমার শক্তি। তাদের পাশে থেকে কাজ করেছি, আগামীতেও করতে চাই।”বিরোধীদের আক্রমণ প্রসঙ্গে তিনি সুর নরম রেখেই বলেন, তাঁর লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং এলাকার উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে। এই বার্তায় তিনি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছেন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।সব মিলিয়ে, প্রার্থী ঘোষণার পর প্রথম দিনেই গৌতম পালের সক্রিয়তা এবং কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস করণদিঘী কেন্দ্রের নির্বাচনী লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,মুখ্যমন্ত্রীর আস্থা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সংগঠনকে সক্রিয় করার কৌশল।এই দুইয়ের সমন্বয়েই শুরুতেই এগিয়ে থাকার বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল।





