শিশুপুত্রর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য মেমারিতে

চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে মেমারি থানার পুলিশ শিশুপুত্র মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করলো।পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বড় পলাশন এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে কলাদিঘির বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় শিশুর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায়।বরপলাশন কলাদিঘি পার এলাকায় কেলেঘোরে পুকুরপাড় থেকে এক শিশুর দেহ উদ্ধার হয় শুক্রবার সন্ধ্যায়। সূত্রের খবর মৃত শিশুটির নাম সূর্য মান্ডি। বয়স আনুমানিক তিন থেকে চার বছর।চাষের কাজে গিয়ে এক ব্যক্তি ওই শিশুটির দেহ দেখতে পায় বলে জানা যায় এলাকার বাসিন্দা সূত্রে।খবর চাউড় হতেই ছুটে আসেন স্থানীয়রা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এস আই স্নেহময় চক্রবর্তী। তার সঙ্গেই এলাকায় পৌঁছোয় মেমারি থানার ওসি প্রীতম বিশ্বাস, সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আধিকারিক বানি সংকর সিংহ মহাপাত্র সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।২৪ ঘন্টার মধ্যেই মেমারি থানার পুলিশ শিশুটির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়।মৃত শিশু সূর্য মান্ডির পিতা সোনা লাল মান্ডি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে তিনি নিজে হাতেই তার পুত্রকে মেরে ফেলেছেন।মৃত শিশুটি প্রতিবন্ধী। মৃত শিশুপুত্রের বাবাকে মেমারি থানার পুলিশ আটক করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার দুপুরেই মৃত শিশুটি কে পোস্টমর্টেমের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এবং শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ ও স্থানীয় সমাজসেবী এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন মিলিতভাবে মালম্বা নদীর তীরে আদিবাসী সম্প্রদায় নিয়ম নীতি মেনে শিশু পুত্রটিকে সৎ কার্য করা হবে।পুলিশ সূত্রে জানা যায় পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট আসার পর সঠিকভাবে জানা যাবে যে কিভাবে শিশুটি র মৃত্যু হয়েছে।এত তাড়াতাড়ি দোষী ব্যক্তিকে পুলিশ খুঁজে বার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে এলাকার সাধারণ মানুষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি দোষী ব্যক্তির কঠিনতম শাস্তি আবেদন করেছেন পুলিশ প্রশাসনের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *