আমার ওপর রেগে আছেন মমতা,তাই তিনি আসেন নি।বঙ্গে এসে আক্ষেপ রাষ্ট্রপতি
এটা যে ইন্টারন্যাশনাল সাঁওতাল কনফারেন্সে, দেখে মনেই হচ্ছে না।বাগডোগরা এয়ারপোর্ট অথরিটির মাঠে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে এসে ফাঁকা পড়ে থাকা চেয়ার দেখে এভাবেই আক্ষেপ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপ দী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি হিসাবে এই প্রথম বার উত্তরবঙ্গ সফরে এলেন রাস্ট্রপতি দ্রৌপদী।শুক্রবারের বদলে শনিবার বাগডোগরার অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। আর এই অনুষ্ঠানে এসে এ রাজ্যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান কি না, তা নিয়ে সংশয় ও প্রকাশ করলেন।প্রথমে ফাঁসিদেওয়ায় সভার কথা থাকলেও পরে তা বদল হয়।তাই ফাঁসিদেওয়া থেকে প্রশাসনকে নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ওরা বলেছিল পর্যাপ্ত জায়গা নেই। কিন্তু এখানে তো ৫ লক্ষ লোক হয়ে যাওয়ার কথা।’ তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘আমিও বাংলার মেয়ে। আমাকে বাংলায় আসতেই দেওয়া হয় না। মমতাদি আমার ছোটবোন। জানি না, আমার ওপর রাগ হয়েছপ বোধ হয়। যাই হোক,কোনও অভিযোগ নেই। কোনও ক্ষোভ নেই। উনি ভাল থাকুন, আপনারাও ভাল থাকুন।’ বাগডোগরা এয়ারপোর্ট অথরিটির মাঠে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে তেমন ভিড় চোখে পড়েনি। ফাঁকা পড়ে ছিল অধিকাংশ চেয়ার। সেটা দেখে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘এটা যে একটা ইন্টারন্যাশনাল সাঁওতাল কনফারেন্স, দেখে মনেই হচ্ছে না!’’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘আমার দেখে মনে হচ্ছে না, সাঁওতাল সমাজ বা আদিবাসী সমাজের মানুষের সরকারি কোনও সুযোগ সুবিধা পান। আদৌ সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা তাঁরা পান কি না, তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে৷’’এরপরতিনি ফাঁসিদেওয়ার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকেই রাজ্যকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এখানে ছোট জায়গার জন্য অনুমতি মেলেনি বলে জেনেছি। কিন্তু এখানে তো কয়েক লক্ষ মানুষ শামিল হতে পারবেন। আমি আসতে চাই। কিন্তু জানি না আমার উপর মমতা ব্যানার্জির এত রাগ কেন? আমিও এই বাংলারই মেয়ে। মমতা ব্যানার্জি আমার বোনের মতো।’রাজনৈতিক মহলের মত সত্যি কি প্রশাসনিক গাফিলতি না রাজ্যের বিজেপির সাংগঠনিক কঙ্কাল সার চেহারাটাই প্রকাশ্যে চলে এলো।আর তাই বিজেপি নিজেদের গাফিলতি ঢাকতেই প্রশাসনের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সমস্যা সামাল দিতে চাইছেন।





