মানুষকে ন্যায়বিচার দিন’,ধর্ণা মঞ্চ থেকে ভোটার তালিকা ইস্যুতে বিচারপতি বিচারকদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন
ধর্মতলার অবস্থানমঞ্চ থেকে বিচারপতি ও বিচারকদের উদ্দেশে সরাসরি আবেদন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjeeএর। তাঁর কথায়, “দয়া করে মানুষকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিন।” ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র সুরে আক্রমণ শানান সর্বময় এই নেত্রী।ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বহু প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫৮ লক্ষ ‘আনম্যাপড’ ভোটার এবং প্রায় ৪.৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। মমতার কথায়, “এরা কি ভোটার নয়? সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁদের নাম ভ্যানিশ করে দেওয়া হল?”বক্তৃতার মাঝেই নিজের লেখা একটি কবিতা পাঠ করেন তিনি। কবিতার নাম ‘আতঙ্ক’। সেই কবিতার মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা অভিযোগ করেন, তফসিলি সম্প্রদায়, মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘু এবং কৃষকদের মতো বিভিন্ন শ্রেণির ভোটারদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের আগে এই ধরনের পদক্ষেপের লক্ষ্য বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া।তিনি বলেন, “১৩টি নথি লাগবে না। একটি নথি থাকলেই যথেষ্ট। আধার তো কেন্দ্রীয় সরকারই চালু করেছিল। অথচ এখন সেটাকেই মানা হচ্ছে না।” মঞ্চে উপস্থিত কয়েক জন নাম কাটা যাওয়া ভোটারকে সামনে এনে তাঁদের নথি দেখান মুখ্যমন্ত্রী। দাবি করেন, তাঁদের সবারই বৈধ পরিচয়পত্র রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকেও কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কমিশন সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ হলেও বাস্তবে বিজেপিকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষায়, “আপনাদের জবাব দিতে হবে মানুষকে, সংবিধানকে।”কেন্দ্রীয় সরকারকেও তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, নোটবন্দির পর এখন চলছে “ভোটবন্দি”। মানুষের অধিকার লুট করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা বিতর্ক, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি এবং কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েন—এই তিন ইস্যুকে সামনে রেখেই ধর্মতলার মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “বাংলা মানুষের স্বার্থে লড়াই করতে জানে, এবং সেই লড়াই চলবে।”সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা বিতর্ক, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি এবং কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েন এই তিন ইস্যুকে সামনে রেখেই ধর্মতলার মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “বাংলা মানুষের স্বার্থে লড়াই করতে জানে, এবং সেই লড়াই চলবে”





