কালীঘাটে পুজো দিয়ে বাংলার নিরাপত্তার সঙ্গে পরিবর্তনের বার্তা কঙ্গনার
বেলা ঠিক সাড়ে ১২টা। কলকাতায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে বাংলার সার্বিক কল্যাণ, মা-বোনেদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করার কথা জানালেন তিনি।
মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, “মা আদ্যাশক্তি মহামায়ার কাছে বাংলার পরিত্রাণের জন্য প্রার্থনা করেছি। বাংলার মা-বোনেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক।এই কামনাই করেছি।
তবে ২৬এর বিধানসভার আগে শহরে এসে রাজনৈতিক বার্তাও দেন বিজেপির এই সাংসদ। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নের যে “অমৃত কাল”এর কথা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলছে, তা এবার বাংলাতেও বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। তাঁর কথায়, অমৃত কাল বাংলায় আসুক, তবেই প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব।”
কঙ্গনার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্যে নারী নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিরোধী দলগুলির সমালোচনার প্রেক্ষিতে তাঁর এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
বিশেষ করে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে এই বার্তা দেওয়া নিছক ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।কালীঘাট মন্দির বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিত। তাই সেখান থেকে এমন বার্তা দেওয়া সাধারণ মানুষের আবেগের সঙ্গেও সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
সব মিলিয়ে, ধর্মীয় আচার পালন থেকে রাজনৈতিক বার্তা—দুইয়ের সমন্বয়ে আজকের এই পদক্ষেপে স্পষ্ট, বাংলাকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হচ্ছে।





