নির্বাচন কমিশনের ‘প্রহসন’-এর অভিযোগে ধর্মতলায় গণমঞ্চের বিক্ষোভ, সরব বিশিষ্টজনেরা
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক ‘প্রহসনমূলক’ পদক্ষেপের অভিযোগ তুলে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে রাস্তায় নামল ‘দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ’। ভোটার তালিকা সংশোধন থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।সবকিছু নিয়েই সরব হলেন মঞ্চের সদস্যরা।রবিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবের এক সভা থেকেই এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। সুচি অনুযায়ী বুধবারের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, অভিনয় ও সঙ্গীত জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মল্লিকা ব্যানার্জী, সুভদ্রা মুখার্জী, হরনাথ চক্রবর্তী, অর্ণব ব্যানার্জী, সৈকত মিত্র, সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্যরা।একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু-সহ রন্তিদেব সেনগুপ্ত, বর্ণালি মুখার্জি, সৈয়দ তানভীর নাসরীন, ভাস্কর চক্রবর্তী রাও।গোটা কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন সুশান রায়।গণমঞ্চের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের নামে গত কয়েক মাস ধরে বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিচারাধীন ভোটারদের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন প্রথমে সোমবার প্রকাশের কথা জানালেও, তা বাস্তবে প্রকাশিত হয় মঙ্গলবার গভীর রাতে।যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন আন্দোলনকারীরা।সভায় উঠে আসে হুগলির বাসিন্দা হাসির মল্লিকের মতো বহু সাধারণ ভোটারের সমস্যার কথা। সাপ্লিমেন্টারি তালিকাতেও নাম না থাকায় হতাশা ও উদ্বেগে ভুগছেন তিনি। গণমঞ্চের দাবি, এ ধরনের ঘটনায় লক্ষ লক্ষ মানুষ মানসিক চাপে রয়েছেন।এদিন মঞ্চ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়,ভোটারদের এই অনিশ্চয়তা ও হয়রানির দায় নেবে কে? কেন ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’র অজুহাতে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে? পাশাপাশি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘উপনিবেশিক মানসিকতা’ চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগও শোনা যায়।টাজনেতিক বিশেষজ্ঞ তথা সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্যের দাবি নিট্বাচন কমিশন এখন নির্যাতন কমিশনে পরিবর্তিত হয়েছে।এবং বাঙালিকে ৭৬এর মন্নম্তরে পাঠিয়ে দিয়েছে।
একই দাবি তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের ও।তিনি বলেন মোদী হ্যায়,তো মুমকিন হ্যায়,বললেও কোন কিছুই মুমকিন নয় এই মোদী
প্রতিবাদ সভায় গান, কবিতা ও বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করা হয়। একইসঙ্গে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানায় ‘দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ’।





