প্রথমবার ভোটারদের টানতে কমিশনের জোরদার উদ্যোগ, দক্ষিণ কলকাতায় সচেতনতা শিবিরে উৎসাহের বার্তা
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার আরও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং বিশেষ করে প্রথমবারের ভোটারদের উৎসাহিত করতে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি।এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই দক্ষিণ কলকাতার উইমেন্স ক্রিস্টিয়ান কলেজে আয়োজন করা হয় একটি সচেতনতা শিবিরের।সেখানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের সামনে ভোটদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন কমিশনের আধিকারিকরা। তরুণ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরাসরি সংলাপের মাধ্যমে তাঁদের উদ্বুদ্ধ করা হয়।শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাউথ কলকাতার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার রণধীর কুমার বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে প্রতিটি ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমবার ভোট দিতে চলা তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, “ভোট শুধু অধিকার নয়, এটি দায়িত্বও। সচেতনভাবে ভোট দিলে তবেই সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।” একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া ডেপুটি ডিরেক্টর অপূর্ব কুমার সিং জানান, কমিশনের লক্ষ্য শুধুমাত্র ভোটগ্রহণ নয়, বরং একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা। সেই কারণেই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই ধরনের শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।শিবিরে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার পদ্ধতি, ভোটদানের নিয়মাবলি, এবং ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ব্যবহারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়। ছাত্রছাত্রীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং তাঁদের সংশয় দূর করা হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্রের মূল ধারায় যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। কারণ, ভোটদানের অভ্যাস তৈরি হলে ভবিষ্যতে ভোটের হারও বৃদ্ধি পাবে।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে এই সচেতনতা প্রচার। কমিশনের আশা, এই উদ্যোগের ফলে ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে এবং নির্বাচন হবে আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক।





