পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে ভূতনাথ মালিকের সমর্থনে শতাব্দী রায়,জনসমুদ্র তৃণমূলের মিছিলে
জামালপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ভূতনাথ মালিকের সমর্থনে প্রচারে এলেন বীরভূমের সাংসদ তথা বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। হালারা মোড় থেকে র্যালী করে এই প্রচার শেষ হয় জামালপুর বাসস্ট্যান্ডে। সেই র্যালী কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জামালপুরের বুকে এই এত মানুষের মিছিল প্রমাণ করছে ভূতনাথ মালিকের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে দাবি করে তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। হালারা বিপত্তারিণী তলা থেকে হুড খোলা গাড়িতে প্রার্থী ভূতনাথ মালিক ও ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খাঁন কে নিয়ে র্যালী শুরু হয়। ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয় কর্মকর্তাদের। জামালপুর থানার ওসি কৃপা সিন্ধু ঘোষ নিজে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। মিছিলের সম্মুখভাগ যখন জামালপুর থানামোড় পৌঁছয় তখনও মিছিলের শেষ প্রান্ত জামালপুর পুলমাথায় অবস্থিত ছিল। অনেক মানুষ র্যালিতে পৌঁছানোর আগেই তা শুরু হয়ে যায়। সাংসদ অভিনেত্রীকে যেমন মানুষ দেখার জন্য উদগ্রীব ছিল ঠিক তেমনই ছিল ভূমিপুত্র প্রার্থীর আবেগ।এদিন সাংসদ শতাব্দী রায়ের হাত ধরে বিজেপি মহিলা মোর্চার ১১ টি পরিবার ও সি আই টি ইউ এর মেমারী জোনাল কমিটির সদস্য চন্দ্রনাথ মুখার্জীর সঙ্গে ২০ টি পরিবার তৃণমূলের পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। শতাব্দী রায় বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন টা করে দেখান। রাজ্য জুড়ে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। সেই উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে জামালপুরের ভূমি পুত্র ভূতনাথ মালিককে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জেতাবার আবেদন করেন। তিনি বলেন এই জনসমুদ্র প্রমাণ দেয় জামালপুরে কী ফল হতে যাচ্ছে। ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খাঁন বলেন সিপিএম বা বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করার কারণ এস আই আর এর নামে যেভাবে বিজেপি চক্রান্ত করছে তার জেরে সবাই তাদের উপর তিতিবিরক্ত। তাই তৃণমূল যেহেতু এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে তাই তারা তৃণমূলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। তার সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়ন তো আছেই। তিনি বলেন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ আজকের এই র্যালিতে পা মেলান। প্রার্থী ভূতনাথ মালিক বলেন দল তাঁর প্রতি আস্থা রেখে তাঁকে প্রার্থী করেছেন এর জন্য তিনি দলের কাছে কৃতজ্ঞ। আর আজকে এই এত মানুষ যাঁরা তাঁর সমর্থনে এসেছেন তাঁদের সকলকে নতমস্তকে প্রণাম জানান। তাঁদের আশীর্বাদে তিনি এখান থেকে জয়লাভ নিশ্চিত ভাবেই করবেন। তিনি এখন থেকে বিধায়ক হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এই বিষয়গুলোর উপর জোর দেবেন বলেও জানান। তাঁর আরো দানি গত সপ্তাহ জুড়ে অঞ্চলে অঞ্চলে কর্মীসভা করার ফলে তৃণমূলের কতটা শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে আজ তা দেখা গেলো।





