ভবানীপুরে প্রচারে ফিরহাদ হাকিম,কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তোপ
ভোটের মুখে ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারে নেমে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন ফিরহাদ হাকিম। চেতলা এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করতে গিয়ে তিনি রিটার্নিং অফিসার বদলি, ভোটার তালিকা বিভ্রাট এবং কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।রিটার্নিং অফিসার বদল প্রসঙ্গে ফিরহাদের দাবি, “৭৩ জনকে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে। কমিশন তুঘলকি কায়দায় কাজ করছে।” তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনিক স্তরে হস্তক্ষেপ করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। এমনকি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন প্রয়োজনে আরও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও বদলি করা হতে পারে।সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা নিয়েও বিভ্রান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি। ফিরহাদের কথায়, তালিকায় কার নাম রয়েছে আর কার নেই তা স্পষ্ট নয়। “টিল ফাইভ নো অ্যাডজুডিকেশন, এর মানে কী, কেউ জানে না,” মন্তব্য করে তিনি বলেন, এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে, যা সংবিধানবিরোধী।তবে ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল নেতৃত্ব। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “যেভাবেই ভোট হোক, মানুষ আমাদেরই ভোট দেবে। যারা মানুষের উপর অত্যাচার করেছে, তাদের মানুষ ক্ষমা করবে না।”এদিকে, ভবানীপুরের দায়িত্ব সামলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে প্রচারে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা বাংলার প্রার্থী। রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলকে জেতানোর দায়িত্ব তাঁর কাঁধে, আর ভবানীপুরের দায়িত্ব আমাদের উপর।”রায়দিঘিতে বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত হবে এবং দোষীরা শাস্তি পাবে।প্রচারে মানুষের সাড়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। “মানুষ বলছেন আবার এসেছেন! আমাদের বলতে হবে?”এই প্রতিক্রিয়াই তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে বলে দাবি তাঁর।দীর্ঘদিন কাউন্সিলর হিসেবে মানুষের সঙ্গে সংযোগের কথা তুলে ধরে ফিরহাদ হাকিম জানান, ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় ব্যবধানে জেতানোর লক্ষ্যেই কাজ করছে দল।





