প্রার্থী বদলের দাবিতে সল্টলেকে বিক্ষোভ, ক্ষুব্ধ কর্মীদের ‘শাসানি’ লকেটের
ভোটের মুখে দলীয় অন্দরের অসন্তোষ এবার সরাসরি রাস্তায়। প্রার্থী বদলের দাবিতে সল্টলেকের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একাংশ।শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই উত্তেজনায় বদলায়।বিক্ষোভ কারীদের অভিযোগ, স্থানীয় সংগঠনের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তাই প্রার্থীদের মেনে নিতে নারাজ তৃণমূল স্তরের বিজেপি কর্মীরা।দলীয় সূত্রে খবর, ঘোষিত প্রার্থীকে ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে সরব হয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সংগঠন গড়ে তুলেছেন, তাঁকেই প্রার্থী করা হোক। এদিন স্লোগান, পোস্টার এবং ব্যানারে সেই ক্ষোভই প্রকাশ পায়। কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও মোতায়েন করা হয়।এই আবহে দলের রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে ও প্রশ্ন তোলেন বিক্ষোভ কারীরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। যদিও এই ইস্যুতে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।অন্যদিকে, দলের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এই বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, নির্বাচনের আগে এ ধরনের বিক্ষোভ দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে দলীয়ভাবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ‘শাসানি’ দেন তিনি বলে অভিযোগ করেন বিক্ষুব্ধ কর্মীরা।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের আগে প্রার্থী বাছাইকে ঘিরে এই ধরনের অসন্তোষ নতুন নয়। তবে তা প্রকাশ্যে এলে সংগঠনের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে।সব মিলিয়ে, প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরের টানাপোড়েন যে সামনে আরও বাড়তে পারে, তা স্পষ্ট। এখন দেখার, দলীয় নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ কর্মীদের মানভঞ্জন কতটা করতে সক্ষম হয় বিজেপি নেতৃত্ত্ব সেটাই এখন দেখার।





